• বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী নগর বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতির সঙ্গে আল মামুনের সৌজন্য সাক্ষাৎ পুঠিয়ায় প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ নোমান-আরাফাতের নতুন নেতৃত্বে বাগমারা উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ তাহেরপুরে ওয়ান ডে ক্রিকেট টুনার্মেন্ট অনুষ্ঠিত রাজশাহী রেলওয়ে হাসপাতাল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা রানা প্লাজা ধসে পুঠিয়ার আহত ময়নার ১২ বছর ধরে অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ রিক্সা-চালক আবুল আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ প্রতারণা করে ভাগ্য বদল হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি বিএনপি নেত্রী মাহমুদা হাবীবার পুঠিয়ায় মুসা খাঁ নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার পুঠিয়ায় রাস্তা থেকে জোর পূর্বক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ

পুঠিয়ায় ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানোর অভিযোগ

ইমাম হোসাইন, বিডি নিউজ২৩;
সংবাদ প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৩
অভিযোগ উঠেছে ওই প্রধান শিক্ষকের মারধরের কারণে ভর্তি হতে হয়েছে মেডিকেলে। পরে অপারেশন করে বেশ কিছু দিন চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছে.... আরো বিস্তারিত পড়ুন
পুঠিয়ায় ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানোর অভিযোগ

অভিযোগ উঠেছে ওই প্রধান শিক্ষকের মারধরের কারণে ভর্তি হতে হয়েছে মেডিকেলে। পরে অপারেশন করে বেশ কিছু দিন চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছে…. আরো বিস্তারিত পড়ুন

ইমাম হোসাইন, বিডি নিউজ২৩; রাজশাহীর পুঠিয়ায় উপজেলার এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রিদয় হোসেন (১০)ছাত্রকে পিটিয়ে আহত করে হাসপাতালে পাঠানোর মত ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আহত শিশু রিদয় হোসেন

আহত শিশু রিদয় হোসেন

 

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের কাজুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। রিদয় হোসেন কাজুপাড়া তার নানা-নানির বাসায় থেকে পড়াশোনা করত।

 

রিদয় হোসেনের পরিবার ও তার নানা নানিরা অসহায় হওয়ার কারণে স্কুল প্রধান শ্যামল কুমারের ভয়-ভীতি ও চাপাচাপিতে কোনভাবেই মুখ খুলতে পারছেন না। এমনকি ওই ঘটনায় থানায় অভিযোগ বা সাধারণ ডায়েরি ও করতে পারেনি রিদয় হোসেনের পরিবার। ঘটনার শুরু গত মাসের ২৬ তারিখ। সেদিন স্কুলটির ৬ জন শিক্ষার্থী পড়া না পারায় ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কুমার মারধর করেন। পরে এদের মধ্যে স্হানীয় রিদয় হোসেন নামের একজন ছাত্র গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রিদয়ের নান-নানি স্হানীয় গ্রাম প্রধান, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও স্কুলটির প্রধান শিক্ষককে জানালে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামক) হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে আঘাতের স্থানে অপারেশন করা লাগবে বলে জানায় ডাক্তার। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী স্কুলটির প্রধান শিক্ষক শ্যামল কুমার অপারেশনের ব্যবস্থা করে দেন। বর্তমানে রিদয় চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছে। স্বাভাবিক মারধরের কথা স্বীকার করলেও, গুরুতর ভাবে মারধর করার কথা অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক শ্যামল কুমার।

 

এ বিষয়ে সরেজমিনে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয় গ্রাম প্রধান ওয়ারিশ আলী মৃধা জানান, শুধু ওই শিক্ষার্থী নয়, এর আগেও বহু শিক্ষার্থীকে সে মারধর করেছে। একবার আমরা বসে ফয়সালাও করে দিয়েছি। ওই একই স্কুলে কর্মরত থাকা, নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে, তিনি বলেন, আমাদের প্রধান শিক্ষক বাচ্চাদের এর আগেও মারধর করেছেন, আমরা কেউ নিষেধ করার সাহস করতে পারি না। এতে করে বাচ্চারা তাকে দেখে খুব ভয়ে থাকে, আতঙ্কে থাকে।

 

এ বিষয়ে কৌশল অবলম্বন করে জানতে চাইলে রিদয় হোসেনের নানা-নানি তারা বলেন, শিক্ষক শ্যামল সে আমাদের নাতিকে মারধর করে। প্রথমে আমরা বুঝতে পারিনি, কয়েকদিন পরে জায়গাটি ফুলে যায়। পরে রিদয় হাঁটাচলা করতে না পারলে, তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে সে বলে হেডমাস্টার শ্যামল কুমার তাকে মারধর করেছে। তবে চিকিৎসা ও অপারেশনের সকল খরচ শ্যামল মাস্টার দিয়েছেন। আমরা গরিব মানুষ। আপনারা কিছু করবেন না। তাহলে শ্যামল মাস্টার চিকিৎসার সকল খরচ বন্ধ করে দিতে পারে। তখন আমরা বিপদে পড়ে যাব।

 

এ বিষয়ে আহত রিদয় হোসেন জানায়, হেডমাস্টার আমাকে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে মেরেছে। ম্যাডাম আর পিয়ন এসে আমার বাসায়, আমাকে মারধর করার কথা কাউকে বলতে নিষেধ করে গিয়েছিল। স্কুলের সকল বাচ্চাদের কেউ নিষেধ করে দিয়েছে আমাকে মারধর করার কথা কাউকে না বলার জন্য।

 

স্কুলটির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আতাউর রহমান তিনি বলেন, এই বিষয়ে রিদয়ের নানা-নানি আমার কাছে এসেছিল। আমি তাদেরকে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।

 

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শ্যামল কুমার তিনি বলেন, সেদিন আমি ছয় থেকে সাত জন বাচ্চাকে নির্দেশিকা কা কাঠি দিয়ে পিঠে মেরেছি। কয়েকদিন পরে হৃদয় তারপরও ক্লাস করেছে। সাইকেল নিয়ে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছে। তার চিকিৎসা খরচ সবকিছুই আমি বহন করছি। এমনকি তার অপারেশনের খরচও আমি বহন করেছি।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ বি এম ছানোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি আরো আগে আমাকে জানানো উচিত ছিল অভিভাবকদের তাহলে আমি ব্যবস্থা নিতাম। এভাবে কাউকে মারধর করা যাবে না। এমনকি কোন বাচ্চাকে চোখ রাঙিয়েও কথা বলা যাবে না। যদি এই ধরনের কোন ঘটনা ঘটে থাকে আর কেউ অভিযোগ করে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযোগ উঠেছে ওই প্রধান শিক্ষকের মারধরের কারণে ভর্তি হতে হয়েছে মেডিকেলে। পরে অপারেশন করে বেশ কিছু দিন চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছে.... আরো বিস্তারিত পড়ুন

পুঠিয়ায় ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানোর অভিযোগ

সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

Recent Comments

No comments to show.