• শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী নগর বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতির সঙ্গে আল মামুনের সৌজন্য সাক্ষাৎ পুঠিয়ায় প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ নোমান-আরাফাতের নতুন নেতৃত্বে বাগমারা উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ তাহেরপুরে ওয়ান ডে ক্রিকেট টুনার্মেন্ট অনুষ্ঠিত রাজশাহী রেলওয়ে হাসপাতাল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা রানা প্লাজা ধসে পুঠিয়ার আহত ময়নার ১২ বছর ধরে অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ রিক্সা-চালক আবুল আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ প্রতারণা করে ভাগ্য বদল হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি বিএনপি নেত্রী মাহমুদা হাবীবার পুঠিয়ায় মুসা খাঁ নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার পুঠিয়ায় রাস্তা থেকে জোর পূর্বক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ

সরকারি ভিজিডি কার্ডের বিনিময়ে ধর্ষণ, ইউপি মেম্বার গ্রেফতার

সংবাদদাতা:
সংবাদ প্রকাশ: সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২
সরকারি ভিজিডি কার্ডের বিনিময়ে ধর্ষণ, ইউপি সদস্য গ্রেফতার
সরকারি ভিজিডি কার্ডের বিনিময়ে ধর্ষণ, ইউপি সদস্য গ্রেফতার

বিডি নিউজ২৩: রংপুরে এক নারীকে ধর্ষণ মামলায় একরামুল হক (৩৬) নামে এক ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের ইউপি সদস্য।

 

মামলার এজাহার ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, ৩০ বছর বয়সী ওই নারীর স্বামী মারার যাওয়ার কারণে সন্তানদেরকে নিয়ে গত ছয় বছর থেকে মায়ের বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। তার ভাই ওই ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা ও ভূমিহীন হওয়ায় ভিজিডি কার্ডের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু ৫নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য একরামুল হক, ভাইয়ের নামে ভিজিডি কার্ড করে দেয়ার কথা বলে ওই নারীর কাছে ৫ হাজার টাকা দাবি করেন এবং টাকা দিতে না পারলে কু-প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে ওই ইউপি সদস্য নারীর মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করে বিভিন্ন সময়ে ওই কু-প্রস্তাব দিতে অব্যাহত রাখেন। ঘটনার দিন ১৮ ডিসেম্বর বিকালে ভাইয়ের এনআইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে আসার কথা বলে ওই নারীর বাড়ি যান ইউপি সদস্য। পরে বাড়িতে একা পেয়ে এ নারীকে ধর্ষণ করে সটকে পড়েন তিনি। ওই দিন রবিবার রাত ১০টার দিকে ভোক্তভুগি বাদী হয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানায় উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্যকে আসামি করে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। পরে অভিযোগটি থানা কর্তৃপক্ষ নথিভুক্ত করে অভিযুক্ত ইউপি সদস্যকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যার মামলা নং ১৩/২২, জিআর ৩১৮/২২। ধারা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা ৯ (১)।

 

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, স্বামী মারা যাওয়ায় তিন সন্তান নিয়ে মায়ের সাথে বসবাস করে আসছিলেন ওই নারী। প্রায় চার মাস থেকে ইউপি মেম্বার একরামুল ভিজিডি কার্ডসহ নানান সুযোগ-সবিধা দেয়ার কথা বলে অনৈতিক সম্পর্ক রাখার কথা বলে আসছিল। কিন্তু ওই নারী রাজি হচ্ছিলেন না। ঘটনার দিন কৌশলে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে আসার কথা বলে বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন তিনি।

 

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ওসি দুলাল ধর্ষণ মামলা ও ইউপি সদস্য একরামুল হককে গ্রেফতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

গঙ্গাচড়া আমলী আদালতের কোর্ট জিআরও আব্দুর রাজ্জাক জানান, ধর্ষিতা নারীটিকে মেডিকেল টেষ্ট করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। পরে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

Recent Comments

No comments to show.