মোঃজুয়েল মিয়া, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী সংকটের কারণে সেবাদিতে হিমসিম খাচ্ছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শষ্যা থেকে ৫০ শষ্যায় উন্নতিকরন ও সম্প্রসারিত করা হয়, ভবনের পূর্ণতা থাকলেও জনবল সংকটে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গাইনী কনসালটেন্ট, মেডিসিন কনসালটেন্ট (অফিসার), সার্জারি কনসালটেন্ট
ল্যাব টেকনিশিয়ান, রেডিওগ্রাফার, কার্ডিওগ্রাফার, ওটি বয়,ডেন্টাল টেকনিশিয়ান, প্রধান অফিস সহকারি, স্টোর কিপার, কম্পিউটার অপারেটর কাম মুদ্রাক্ষরিক (টাইপিস্ট), অফিস সহায়ক (পিয়ন), ওয়ার্ড বয়, আয়া, জুনিওর মেকানিক, সুইপারসহ ১৭ পদে জনবল শূন্য।
দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি অ্যাম্বুলেন্সটি সরকারি ভাবে দেওয়া হয়। কিন্তু চালক না থাকায় এটি ব্যবহার ব্যাহিত হচ্ছে। মুমূর্ষ কথা চিন্তা করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা আউট সোর্সিং থেকে নিয়জিত পরিচ্ছন্নতা কর্মী দিয়ে এম্বুলেন্স সেবা দিচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শুধু অ্যাম্বুলেন্সই সমস্যা নয়, দোয়ারাবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, সেবিকা, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সংকট রয়েছে। উপজেলার ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য আছে ৩টি। দোহালিয়া, লক্ষীপুর ও বাজিতপুর। এই ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলোতে প্রতিটিতে একজন করে, মোট চিকিৎসকের পদ ৩টি শূন্য। এই ৩ টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে, উপসহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার এর পদ পূর্ণ আছে। তন্মধ্যে বাজিতপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ভবন ঝুঁকি পূর্ণ। তা ২০২৩-২৪ অর্থ বছর স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মেরামত করার কথা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্ত্রোপচারের সব ব্যবস্থা থাকলেও শুধু চিকিৎসকের অভাবে তা হয় না। আধুনিক এক্স-রে যন্ত্র থাকলেও রেডিওগ্রাফারের পদ শূন্য থাকায় সেটিও ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
উপজেলা সদরের বাসিন্দা হিফজুল ইসলাম বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এম্বুলেন্স ও আধুনিক এক্স-রের ব্যবস্থা থাকলেও সেবা নিতে পারছে না লোকজন। তবে বর্তমানে আউট সোর্সিং থেকে নিয়জিত পরিচ্ছন্নতা কর্মী দিয়ে এম্বুলেন্স সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আবু সালেহীন খান বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্সের চালক ও রেডিওগ্রাফারের জন্য অনেক লেখালেখি করেছি। আশা করি, কিছুদিনের মধ্যে একটা ব্যবস্থা হবে। এ ছাড়া আমরা মাসিক প্রতিবেদনে চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পদ শূন্য থাকার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে থাকি।
উপজেলা সদরের বাসিন্দা মেহেদী আহমেদ বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এম্বুলেন্স ও আধুনিক এক্স-রে ব্যবস্থা থাকলেও সেবা নিতে পারছে না লোকজন। তবে বর্তমানে আউট সোর্সিং থেকে নিয়জিত পরিচ্ছন্নতা কর্মী দিয়ে এম্বুলেন্স সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আবু সালেহীন খান ইত্তেফাক’কে বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্সের চালক ও রেডিওগ্রাফারের জন্য অনেক লেখালেখি করেছি। আশা করি, কিছুদিনের মধ্যে একটা ব্যবস্থা হবে। এ ছাড়া আমরা মাসিক প্রতিবেদনে চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পদ শূন্য থাকার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে থাকি।

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট