• শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৪:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী নগর বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতির সঙ্গে আল মামুনের সৌজন্য সাক্ষাৎ পুঠিয়ায় প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ নোমান-আরাফাতের নতুন নেতৃত্বে বাগমারা উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ তাহেরপুরে ওয়ান ডে ক্রিকেট টুনার্মেন্ট অনুষ্ঠিত রাজশাহী রেলওয়ে হাসপাতাল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা রানা প্লাজা ধসে পুঠিয়ার আহত ময়নার ১২ বছর ধরে অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ রিক্সা-চালক আবুল আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ প্রতারণা করে ভাগ্য বদল হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি বিএনপি নেত্রী মাহমুদা হাবীবার পুঠিয়ায় মুসা খাঁ নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার পুঠিয়ায় রাস্তা থেকে জোর পূর্বক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ

স্কুলের শ্রেণীকক্ষ দখল করে পরিবার নিয়ে সংসার পেতেছেন প্রধান শিক্ষক

সংবাদদাতা:
সংবাদ প্রকাশ: সোমবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৩

বিডি নিউজ২৩: শিক্ষা অর্জনের মৌলিক ভিত্তি তৈরির স্থান হলো বিদ্যালয়। তবে এই শিক্ষা অর্জনের স্থানেই পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন সেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক। সম্প্রতি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের এইচ. কে বিপুল স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকেই নরসিংদীর মনোহরদীতে বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ দখল করে সেখানেই পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছেন প্রধান শিক্ষক। এতে বিদ্যালয়ের পরিবেশ যেমন ব্যাহত হচ্ছে তেমনি বিব্রতবোধ করছে বিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীরা। প্রধান শিক্ষকের বাড়ি কাপাসিয়া উপজেলায়। বিদ্যালয় থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরত্ব। তবুও তিনি দীর্ঘদিন শ্রেণীকক্ষ দখল করে বসবাস করে আসছেন। বিদ্যালয় ছুটি হলে সব শিক্ষক বাড়ি ফিরলেও তিনি ফিরেন না। রান্নাবান্না, গোসল, বারান্দায় কাপড় শুকাতে দেওয়াসহ গৃহস্থালি পরিবেশ তৈরি করে বিদ্যালয়কে রীতিমতো বাড়িঘরে রূপ দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীরা জানান, বিদ্যালয় চলাকালীন সময়েও তিনি থাকেন সেই কক্ষে। তার এমন কর্মকাণ্ডে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিব্রত হচ্ছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের প্রধান শিক্ষক স্কুলেই থাকেন। প্রায়ই বারান্দায় ও ছাদে স্যারের স্ত্রী ও সন্তানকে দেখা যায়।

 

ছাদে সবসময় কাপড়-চোপড় শুকানোর জন্য টাঙানো থাকে। স্কুলে স্যারের বসবাস করা আমাদের জন্য বিব্রতকর।মো. বাসির উদ্দিন নামে এক অভিভাবক বলেন, বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের জন্য কোনো বাসভবন নেই। তিনি শ্রেণীকক্ষ দখল করে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। এতে বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে ও শিক্ষার পরিবেশকে ব্যাহত হচ্ছে। বাড়িতে যেতে না চাইলে বিদ্যালয়ের আশেপাশে তিনি বাসা ভাড়া নিতে পারতেন। অভিভাবকরা এ ব্যাপারে আপত্তি জানালেও তার কাছে বিষয়টি স্বাভাবিক মনে হচ্ছে।

 

প্রধান শিক্ষক মো. আক্তার হোসেন জানান, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আমি এখানে বসবাস করি। আমার এখানে থাকার বৈধতা রয়েছে।এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. কাউসার বলেন, বিদ্যালয়ের স্বার্থে প্রধান শিক্ষককে সেখানে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে কি স্বার্থ তা তিনি বলেননি। মনোহরদী নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেন, বিষয়টি জানা নেই। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

Recent Comments

No comments to show.