বিডি নিউজ২৩: দিন যত গড়াচ্ছে মানুষের ব্রেন বুদ্ধি ততই যেন পরিবর্তন হচ্ছে। বর্তমান ডিজিটাল যুগে এসেও আমরা অনেক কিছুর কুল কিনারা করতে পারছি না। আবার ডিজিটাল প্রতারণার অনেক কিছুই ডিজিটাল মাধ্যমে সহজেই সনাক্ত করতে পারছি।
এবার এমন একটি প্রতারক চক্র বের হয়েছে, যাদের কাজ গরু চুরি করা নয়, বরং সেই গরুর মাংস বিভিন্নভাবে প্রতারণা করে আসছেন ওই চক্রটি। এমনই এক চক্রের ফাঁদে পড়েছিলেন রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার মাই পাড়া এলাকার হান্নান কসাই। গত ২৩ ডিসেম্বর হান্নান কসাই এর কাছ থেকে প্রায় ৪৩ কেজি গরুর মাংস পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নাম করে নিয়ে যায় এক প্রতারক চক্র। ঘটনাটি পুরোটাই প্রতারণা হয়েছে বিষয়টি বুঝতে পারার পর রাজশাহীতে নড়ে চড়ে বসে প্রশাসন।
মাংস প্রতারণার বিষয়ে নওগাঁর রাণীনগরে একটি থানার পরিচয়ে টাকা না দিয়ে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে গরুর মাংস নিতে গিয়ে আফজাল মিনহাজ ওরফে সংগ্রাম (৪৫) নামে এক প্রতারকে আটক করেছে স্থানীয়রা। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে মারধর করে রাণীনগর থানা পুলিশে দেয়। সেখানেও ওই প্রতারক ৪৪ কেজি মাংস নিতে গিয়েছিলেন।
গত বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার কুবরাতলী বাজারে ঘটনাটি ঘটে। জানা যায় যে, আটককৃত প্রতারক আফজাল মিনহাজ ওরফে সংগ্রাম নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের এরশাদ আলী মন্ডলের ছেলে।
মাংস প্রতারকের ব্যাপারে রাণীনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সেলিম রেজা বলেন, তার কাজই বিভিন্ন জায়গায় এভাবে প্রতারণা করা। সে নিজেকে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বেড়ান। কখনো কখনো মন্ত্রণালয়ের পরিচয়ও দেন। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে বিভিন্ন থানায় ১১ টি মামলা রয়েছে। এটা দিয়ে ১২ টা হবে। সে রাণীনগরে প্রতারণা করে মাংস নিয়ে যাবার সময় জনগণ হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিয়েছে। পুঠিয়া থানায় যে মাংস প্রতারণা হয়েছে এ বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানাতে পারেনি এই কর্মকর্তা।