• সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী এডিটরস ফোরামের সভাপতি লিয়াকত, সাধারণ সম্পাদক অপু বইমেলায় গাঙচিল প্রকাশিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন রাসিক মেয়র লিটন বাঘায় সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিএমএসএস’র নিন্দা প্রকাশ রাজশাহীর বাগমারা থেকে চাঁদাবাজ চক্রের মূলহোতা, গ্রেফতার করেছে ৱ্যাব-৫ আরএমপির পুলিশ কমিশনারসহ ৬ পুলিশ সদস্য পেলেন বিপিএম-পিপিএম পদক রাজশাহীর বাঘায় সাংবাদিককে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন থানায় অভিযোগ প্রশাসনের উপর ক্ষোভ ঝাড়লো সাংবাদিকের উপর হত্যার হুমকি, থানায় অভিযোগ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীয় মেয়র হতে চলেছেন শায়লা পারভীন: তাহেরপুর পৌর নির্বাচন রুয়েটে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত পুঠিয়ায় সেভ লাইফ রক্তদান সংস্থার ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও মাতৃভাষা দিবস পালিত

মণ্ডপে মণ্ডপে বিসর্জনের সুর, শেষ মুহূর্তে ঠাকুর দর্শনে উপচে পড়া ভিড়

ইমাম হোসাইন, বিডি নিউজ২৩;
সংবাদ প্রকাশ: সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৩
উল্লেখ্য যে, শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে পুঠিয়া উপজেলা প্রশাসন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা প্রতিনিয়ত নিশ্চিন্তা নিরাপত্তা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
মণ্ডপে মণ্ডপে বিসর্জনের সুর, শেষ মুহূর্তে ঠাকুর দর্শনে উপচে পড়া ভিড়

ইমাম হোসাইন, পুঠিয়া, রাজশাহী;

 

আজ নবমী তাই প্রতিটি মণ্ডপে মন্ডপে চলছে বিসর্জনের সুর। শুধুমাত্র মন থেকে অনুধাবন করতে পারবেন হিন্দু ধর্মালম্বীরা। আজকের দিন এবং আগামী কাল বিসর্জনের সময়টাকে। হিন্দু ধর্মালম্বীদের কাছে শারদীয় দুর্গাপূজা সবচেয়ে বড় উৎসব। বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মালম্বীদের এই শারদীয় দুর্গোৎসব, ধর্ম-বর্ণ শেষে সবাই একত্রিত হয়ে আনন্দ উৎসব পালন করে থাকেন। তাইতো বলা হয় সম্প্রীতির বাংলাদেশ, আর ধর্ম যার যার উৎসব সবার।

 

হিন্দু ধর্মালম্বীদের মতে দেবী-দুর্গার প্রথম আবির্ভাবস্থল বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার, বাগমারা উপজেলার, তাহেরপুর পৌরসভার রাজা কংস নারায়ণের রাজবাড়ির মধ্যে। সেখানে রয়েছে সেই প্রাচীন নিদর্শন চিহ্ন গুলো। যা দেখতে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশ থেকেও আসেন ভক্তরা। এছাড়াও তাহেরপুর পৌরসভার বর্তমান মেয়র অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম আজাদ, হিন্দু ধর্মালম্বীদের জন্য মন্দির গুলোতে তৈরি করে দিয়েছেন পিতল এর প্রতিমা। বহু টাকা খরচে তৈরি এই প্রিতলের প্রতিমা গুলো দেখতে ভক্তরা পূজা ছাড়াও অন্যান্য সময়ও ভিড় জমান সেখানে। সেখানেও ধর্ম বর্ণ শেষে সবাই মিলেমিশে উৎসব পালন করেন শারদীয় দুর্গোর।

 

এদিন একজন হিন্দু ধর্মালম্বীর অন্তর কেঁদে ওঠে বলে, ”যেও না নবমী নিশি, আজি লয়ে তারাদলে। গেলে তুমি দয়াময়ী, এ পরাণও যাবে।”

 

এটাই আপামর বাঙালির মনের কথা। নবমীর দিন এলেই বাঙালির মন কেঁদে ওঠে। আনন্দের মাঝেও বিষাদের বার্তা দিয়ে যায় নবমী নিশি। সারা বছর ধরে যে উৎসবের টানে সবাই অপেক্ষা করে থাকে, তার বিদায় ঘণ্টা বেজে যায় এই নবমী তিথিতেই। তারপরই বিজয়া দশমী। মায়ের আবার মর্ত্যধাম ছেড়ে ফিরে যাওয়া কৈলাসে।

 

সোমবার সকাল থেকেই আমচকাই আকাশ কালো করে মেঘের ঘনঘটা। তবু বর্ষাসুরকে হারিয়ে সকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে উপচে পড়া ভিড়। এদিনই তো শেষ রজনী। বিদায়ঘন আবহে মাকে দর্শনে কোনও বাধাই বাধা নয়। বৃষ্টি উপেক্ষা করেই মানুষ ছাতা হাতে নেমে পড়েছেন দুর্গাদর্শনে। রাত পোহালেই বিজয়া দশমী। জয়ের আনন্দের সঙ্গে যে মাকে বিদায় জানানোর সময়ও উপস্থিত হয়ে যাবে।

 

আশ্বিনের শারদপ্রাতে পিতৃপক্ষের অবসানে শুরু হয়েছিল দেবী পক্ষ। মহালয়ার পর দেবীপক্ষের সেই সূচনা লগ্ন থেকেই পুজোর গন্ধে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছিল ধরণীর আকাশ-বাতাস। ভুবন মেতে উঠেছিল উৎসবের আনন্দে। আলোর বেণু বেজে উঠেছিল মণ্ডপে মণ্ডপে। আদতে পাঁচদিন হলেও বাঙালি বড় উৎসবের সূচনা তো সেই মহালয়ার পর্ব থেকেই। আর নবমীর পূণ্য তিথিতে অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে ধরণীতে শুভ শক্তির প্রকাশ ঘটান দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা।

 

এই তিথি শুরুই হয় সন্ধিপুজো দিয়ে। অষ্টমীর শেষ ২৪ মিনিট আর নবমীর প্রথম ২৪ মিনিট নিয়েই ৪৮ মিনিটের সন্ধিপুজো। দেবীকে এখানে চামুণ্ডারূপে পুজো করা হয়। এই লগ্নেই দেবী অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটান। মহিষাসুরকে এই লগ্নেই বধ করেছিলেন মহিষমর্দিনী দেবী দুর্গা। আর অকাল বোধনের পর মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে এই সময়েই রাবণ বধ করেছিলেন রামচন্দ্র।

 

তাই নবমী তিথির মাহাত্ম্য দুর্গাপুজোয় এক বিশেষ রূপেই প্রতিভাত। অধিকাংশ মণ্ডপেই এদিন কুমারী পুজো হয়। তারপর হোমযজ্ঞের পরেই ইতি ঘটে নবমীবিহিত পুজোর। এবং সূচিত হয় মায়ের বিদায় বার্তা। পরদিন দশমী বিহিত পুজোর পরই বিসর্জনের বাদ্যি বেজে ওঠে। মণ্ডপে মণ্ডপে বিষাদের সুর। যতই বাঙালি আর্তি জানাক যেও না নবমী নিশি, তা যাবেই। তবু মন বলে ওঠে বারবার- ‘ওরে নবমী নিশি, না হইও রে অবসান।

উল্লেখ্য যে, শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষে পুঠিয়া উপজেলা প্রশাসন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা প্রতিনিয়ত নিশ্চিন্তা নিরাপত্তা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মণ্ডপে মণ্ডপে বিসর্জনের সুর, শেষ মুহূর্তে ঠাকুর দর্শনে উপচে পড়া ভিড়

সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

Recent Comments

No comments to show.