রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় প্রায় ৭২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এদের মধ্যে গতকাল সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার কথা। কিন্তু উপজেলার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেই তা করা হয়নি।
ফিলিস্তিনের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার ২০ অক্টোবর সারাদেশে মসজিদগুলোতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদেশের পর দোয়া করা হয় নিহত ও আহত ফিলিস্তিনিদের জন্য।
এরপর শোক পালনের অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবার ২০ অক্টোবর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হয় সারা দেশে শনিবার ২১ অক্টোবর সারাদিন প্রতিটি সরকারি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে রাখার জন্য। পুরো উপজেলা জুড়ে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়নি। যার কারণে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে।
এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, পুঠিয়া উপজেলার সরিষাববাড়ি উচ্চবিদ্যালয়। পুঠিয়া অাল ইনসানিয়া ইসলামি একাডেমি। পুঠিয়া ইসলামিয়া মহিলা ডিগ্রী কলেজ। ধোপাপাড়া বালিকা উচ্চবিদ্যালায়। পুঠিয়া কারিগরি এন্ড পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট। পুঠিয়া দাখিল মাদ্রাসা। ধোপাপাড়া মোহনপুর অালিম মাদ্রাসা। হারোখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আরো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পাইকপাড়া ভূমি অফিসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ছিল না।
এমন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সকলের প্রায় একই রকম বক্তব্য ছিল। তাহারা বলেছেন, খবরে দেখেছি। পিয়নকে বলে দিয়েছি। ভুলে গেছি। এরকম বলছিলেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুঠিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার লায়লা আখতার জাহান বলেন, আসলে এমনটা হওয়ার কথা নয়। তবুও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকলেও, ছিল না পুঠিয়ার বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে