পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের ধলাট গ্রামে বিয়ের দাবিতে ২ দিন যাবত প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছেন ৩০ বছর বয়সী এক প্রেমিকা।
ধলাট গ্রামের সাবেক মেম্বার হাফিজুর রহমানের ভাই মোঃ মোন্তাজ আলীর ছেলে মেহেদী হাসানের সাথে তিন বছর যাবত সম্পর্ক রয়েছে বলে ওই মেয়েটি জানান।
রাজশাহী কোর্ট এলাকার জৈনিক ব্যাক্তির ভুক্তভোগী মেয়েটি আরো বলেন, তিন বছর ধরে আমার সাথে মেহেদী সম্পর্ক করে আমার নিকট থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সহযোগিতা নিয়েছে। এখন সে প্রবাসী কল্যান ব্যাংকে চাকরি পাওয়ার পরে বিভিন্ন ভাবে তালবাহানা করছে বিয়ে না করার জন্য। এছাড়াও মেয়েটি জানায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় মেহেদীর আত্মীয়ের বাড়ীতেও বেড়াতে নিয়ে গেছে। আত্মীয় স্বজন তার মা বাবা, চাচাতো ভাবি, ভাইরা বিষয়টি জানে। এখন সে আমার সাথে সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। গত মাসেও আমি এসেছিলাম তাদের পক্ষ থেকে বিয়ের আশ্বাস দিলে আমি বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারা কোন যোগাযোগ করেনি। তাই কোন উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে আমাকে এই ডিসিশন নিতে হয়েছে। গত শুক্রবার বিকাল তিনটায় থেকে প্রেমিক মেহেদীর বাড়ীতে ওই তরুনী বিয়ের দাবিতে আসলে মেহেদীর মা জোর করে বাড়ী থেকে বের করে দেয়, যতখন মেহেদী হাসান বিয়ে না করবে, ততদিন এই ভাবে অনশন চালিয়ে যাবো।
এব্যাপারে মেহেদী হাসান পরিবারের বাড়ীর সমস্ত জানালা দরজা বন্ধ করে বাড়ী থেকে সবাই দুরে কথাও গিয়ে আছে বলে জানাযায়। প্রেমিক মেহেদি হাসানের প্রতিবেশি আব্দুস সালাম অনেকক্ষন ডাকাডাকি করেন এবং দরজায় ধাক্কা ধাক্কি করার পরেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া শব্দ পাওয়া যায়নি। এই সংবাদ লিখা পর্যন্ত পুলিশ প্রশাসনকে কেউ খবর দিইনি বলে জানা যায়।
বানেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের শিবপুর হাট ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুল মালেক বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি এবং তার বাসায় গিয়েছিলাম মেয়েটির সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন এর আগে আপনারা সময় নিয়েছিলেন কিন্তু সময় অনুযায়ী আপনারা কিছু করতে পারেননি। তাই আমি এখানে এসেছি বিয়ে না করে এখান থেকে যাব না। প্রয়োজনের রাস্তায় থাকবো। সে আমাকে আরো অপমানজনক কথাবার্তা বলে তাই আমি সেখান থেকে চলে এসেছি। ছবিটি প্রতীকী হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে

পুঠিয়ায় আবারো বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাসায় প্রেমিকার অনশন