জিরার কেজি ১ হাজার, কাচা মরিচের ঝালে পুড়ছে রাজশাহী, আদার কেজি ৫০০, বাজারে চলছে ভেলকিবাজ। এ যেন দেখার কেউ নেই পরিস্থিতি, বেড়েছে সব রকম মসলার দাম…
ইমাম হোসাইন, বিডি নিউজ২৩: সারা দুনিয়ার মুসলিম উম্মার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা। আর রাত পোহালেই বাংলাদেশে পালিত হবে ঈদুল আযহা। কিন্তু বাজার সিন্ডিকেট ও কিছু অসাধু ব্যবসায়িকদের কারণে ঈদের একদিন আগেই বাজারের এমন পরিস্থিতি গরিব ও মধ্যবিত্তদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এতে করে রাজশাহী অঞ্চলের গরীব ও মধ্যবিত্তদের মাঝে ব্যাপক চাপা খুব দেখা গেছে।
আজ সকালে বাজার ঘুরে দেখা গেছে রাজশাহী অঞ্চলের তাহেরপুর, পুঠিয়া, বানেশ্বর, ঝলমলিয়া, খরখরি বাইপাস হাট, সহ বিভিন্ন বাজারে কাঁচামরিচ ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সেই মরিচ এর দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০০ টাকার কোটায়। যে আদা ৩০০ টাকা বিক্রি হচ্ছিল তার দাম বেড়ে হয়েছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি। শুধু উপরোক্ত পণ্যগুলোই নয়, মসলার বাজারে একরকম আগুন ধরার মতো পরিস্থিতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাত্র একদিনের ব্যবধানে সব রকম মসলার দাম বেড়েছে ব্যাপকহারে।
পুঠিয়ার বাজারে দেখা হয় নজরুল ইসলাম নামের এক ক্রেতা তিনি বাজার করতে এসে দেখা গেছে তার চোখে মুখে হতাশা আর ক্ষোভের ছাপ। বড় এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে, নিজের রাখ খুব নিজের ভেতরেই থাক বলে, কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই বাজার সম্পর্কে কোন মন্তব্যই করতে চাননি তিনি।
এছাড়াও সারাদিন ঘুরে এসব বাজারগুলোতে সরকারি মনিটরিং এর কোন ব্যবস্থা চোখে পড়েনি। সাধারণ মানুষরা মনে করছেন ঈদের আগে খুব জোরালোভাবে সরকারিভাবে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা থাকলে এই হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। সাধারণ মানুষকে পড়তে হত না এই বিশৃংখল পরিস্থিতির মধ্যে। এমন পরিস্থিতিতে নিম্নয়ের মানুষেরা পড়েছেন দারুন রকম বিপাকের মধ্যে। এ যেন দেখার মতো কেউ নেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এই বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাসুম আলী মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

জিরার কেজি ১ হাজার, কাচা মরিচের ঝালে পুড়ছে রাজশাহী, আদার কেজি ৫০০, বাজারে চলছে ভেলকিবাজ। এ যেন দেখার কেউ নেই পরিস্থিতি, বেড়েছে সব রকম মসলার দাম…