• বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী নগর বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতির সঙ্গে আল মামুনের সৌজন্য সাক্ষাৎ পুঠিয়ায় প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ নোমান-আরাফাতের নতুন নেতৃত্বে বাগমারা উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ তাহেরপুরে ওয়ান ডে ক্রিকেট টুনার্মেন্ট অনুষ্ঠিত রাজশাহী রেলওয়ে হাসপাতাল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা রানা প্লাজা ধসে পুঠিয়ার আহত ময়নার ১২ বছর ধরে অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ রিক্সা-চালক আবুল আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ প্রতারণা করে ভাগ্য বদল হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি বিএনপি নেত্রী মাহমুদা হাবীবার পুঠিয়ায় মুসা খাঁ নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার পুঠিয়ায় রাস্তা থেকে জোর পূর্বক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ

মোবাইল দেখে তারাবি নামাজে ইমামতি করায়, হাফেজকে বহিষ্কার

সংবাদদাতা:
সংবাদ প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩
মোবাইল দেখে তারাবি নামাজে ইমামতি করায়, হাফেজকে বহিষ্কার
মোবাইল দেখে তারাবি নামাজে ইমামতি করায়, হাফেজকে বহিষ্কার

মোবাইল দেখে তারাবি নামাজে ইমামতি করায়, হাফেজকে বহিষ্কার

 

বিডি নিউজ২৩: বরিশাল নগরীর একটি মসজিদে মোবাইল দেখে তারাবি নামাজ পড়ানোয় মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি টের পেয়ে মসজিদ কর্তৃপক্ষ ওই হাফেজকে বাদ দিয়েছে। পরে নতুন একজন হাফেজ নামাজ পড়ানো শুরু করেছেন।

 

বরিশাল নগরীর ব্যাপটিস্ট মিশন রোডের বায়তুল আনোয়ার জামে মসজিদে এমনই ঘটনা ঘটেছে।

 

মুসল্লিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হাফেজ জাকির হোসেন মোবাইল ফোন দেখে দেখে তারাবি নামাজ পড়ান। বিষয়টি জানতে পেরে তাকে মসজিদ ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য বলা হয়।

 

বায়তুল আনোয়ার জামে মসজিদের একজন মুসল্লি বলেন, ‘বিষয়টি দ্বিতীয় রমজানের রাতে তারাবি নামাজের সময় অনেকেরই চোখে পড়ে। পরে তৃতীয় রমজানের রাতে হাফেজ জাকির হোসেনের মোবাইল দেখে দেখে তারাবির নামাজ পড়ানোর দৃশ্য কেউ কেউ ভিডিও করেন। ভিডিওটি সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে মুসল্লিদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যায়। পরে ওই হাফেজকে তারাবি নামাজ পড়ানো থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাফেজ জাকির হোসেন ওই মসজিদের ইমাম ফারুকের নিজস্ব মাদরাসার একজন শিক্ষক। তাই তারাবির নামাজের জন্য হাফেজ নিয়োগের ক্ষেত্রে তাকে প্রাধান্য দিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়।

 

এ বিষয়ে মসজিদের ইমাম ফারুক জাগো নিউজকে বলেন, ‘হাফেজের মোবাইল দেখে দেখে তারাবির নামাজ পড়ানোর বিষয়টি সত্যি। ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে তারাবির নামাজের জন্য হাফেজ নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো স্বজনপ্রীতি করা হয়নি। হাফেজ নিয়োগের সময় ইন্টারভিউ বোর্ডে ৮-১০ জন উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে মেধার মূল্যায়নে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

 

বায়তুল আনোয়ার জামে মসজিদের ক্যাশিয়ার মিল্টন চৌধুরী জাগো বলেন, ‘তারাবির নামাজের জন্য হাফেজ নিয়োগের সময় ইন্টারভিউ বোর্ডে মসজিদ কমিটির কেউ ছিলেন না। মসজিদের ইমাম ও এলাকার বড় একটি মসজিদের ইমাম মিলে ইন্টারভিউ নিয়ে হাফেজ ঠিক করা হয়েছিল। পরে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা জেনে ওই হাফেজকে বাদ দিয়ে অন্য একজন হাফেজ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মোবাইল দেখে তারাবি নামাজে ইমামতি করায়, হাফেজকে বহিষ্কার

মোবাইল দেখে তারাবি নামাজে ইমামতি করায়, হাফেজকে বহিষ্কার

সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

Recent Comments

No comments to show.