ইমাম হোসাইন, বিডি নিউজ২৩: আজ জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল, “পরিসংখ্যান ব্যবস্থার উন্নয়ন, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন”। সারা দেশের ন্যায় রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় দিবসটি যথাযোগ্য ভাবে পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা চত্বরে র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৩ সালের এ দিনে জাতীয় সংসদে পরিসংখ্যান আইন পাস করা হয়। এর ভিত্তিতে পরিসংখ্যান ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে আমূল পরিবর্তন আসে। ২০২০ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারিকে পরিসংখ্যান দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। পরিসংখ্যানের গুরুত্ব বিচেনায় ১৯৭৪ সালের ২৬ আগস্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন চারটি পরিসংখ্যান সংস্থাকে এক করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস উপলক্ষে, পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ (পিএএ) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর ডা. মোঃ মনসুর রহমান এমপি ও সদস্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জি. এম. হিরা বাচ্চু চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ পুঠিয়া সহ আরো অনেকেই।
দেশে তৃতীয়বারের মতো পরিসংখ্যান দিবস পালন করা হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘পরিসংখ্যান ব্যবস্থার উন্নয়ন, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন’। দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাণীতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, বিবিএস কর্তৃক তথ্য সংগ্রহ, সংকলন ও প্রকাশনায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার একটি ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে সরকারের প্রতিশ্রুতিকে ত্বরান্বিত করবে।
এসময় সাংসদ মনসুর রহমান বলেন, সময়োপযোগী ও সঠিক পরিসংখ্যানের সাহায্যে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। উন্নয়ন থেকে বাদ যাবে না এই এলাকাও। দেশের পরিকল্পনা প্রণয়ন, উন্নয়ন ও অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে সঠিক, সময়োপযোগী এবং মানসম্মত পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা বিবিএসের দায়িত্ব। জনশুমারি, কৃষিশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারিসহ বিভিন্ন ধরনের সার্ভে পরিচালনা করে থাকে তারা। হালনাগাদ তথ্য প্রস্তুতে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের নেতৃত্বে বিবিএস কাজ করছে।