• শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০১:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহী নগর বিএনপির নবনির্বাচিত সভাপতির সঙ্গে আল মামুনের সৌজন্য সাক্ষাৎ পুঠিয়ায় প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ নোমান-আরাফাতের নতুন নেতৃত্বে বাগমারা উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ তাহেরপুরে ওয়ান ডে ক্রিকেট টুনার্মেন্ট অনুষ্ঠিত রাজশাহী রেলওয়ে হাসপাতাল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা রানা প্লাজা ধসে পুঠিয়ার আহত ময়নার ১২ বছর ধরে অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ রিক্সা-চালক আবুল আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ প্রতারণা করে ভাগ্য বদল হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি বিএনপি নেত্রী মাহমুদা হাবীবার পুঠিয়ায় মুসা খাঁ নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার পুঠিয়ায় রাস্তা থেকে জোর পূর্বক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ

উকিলের ভুলে কোটিপতি হিরো আলম

সংবাদদাতা:
সংবাদ প্রকাশ: শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৩
কোটিপতি
উকিলের ভুলের কারণে হিরো আলম কোটিপতি শিবগঞ্জ নিউজ ডেক্স: কিভাবে ৪ বছরের কোটিপতি হলেন তার ব্যাখ্যা দিলেন বগুড়া-৬ ও ৪আসনের প্রার্থী হিরো আলম (মো. আশরাফুল হোসেন আলম)। তিনি বলেন, উকিল ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র হলফনামায় ৫৫ লাখ টাকা লেখায় বিষয়টি সামনে এসেছে। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে আপিল আবেদন করতে এসে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি ওই ব্যাখ্যা দেন। ৪ বছরে কোটিপতি হয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, এই প্রসঙ্গে সামনে এলে হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, কিছু কিছু বিষয় থাকে যে তিলকে তাল বানায়। আমার হয়তো জমা দেওয়ার কথা ২০ লাখ ওরা হয়তো ৫০ লাখ করে দিয়েছে। লিখতে তো আর সমস্যা হয় না, বলতেও সমস্যা হয় না। ঘাইটে দেখতে হবে কোটি কোটি টাকা আছে কিনা। এটা তো আমি চাইলেও লুকায়া রাখবে পাবরো না। আমার যদি কোটি কোটি টাকা ও এত সম্পদ থেকে থাকে দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) অবশ্যই খুঁজে দেখবে আমার এতো কিছু আছে কিনা। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সম্পদের পরিমাণ বলতে আমার কিছু ধানি জমি আছে। নতুন একটা বাসা করতেছি। আর একটা গাড়ি আছে। সম্পদের পরিমাণ কত হবে। গ্রামগঞ্জে জমির দাম আর কত হবে। ৫ লাখ টাকা কথা বলেছি উকিলে শূন্য একটা বেশি বসায়ে দিছে। উকিলের ভুলে সম্পদ বেড়ে গেছে। এটা আপনারা নিউজ করেছেন। এখন খুঁজে তো দেখতে হবে আমার এত টাকা আছে কিনা। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে দু’টি আসনেই মনোনয়নপত্র দাখিল করলে ১ শতাংশ ভোটেরর সমর্থন সূচক সইয়ের তথ্যে গড়মিল থাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি মঙ্গলবার ( ১০ জানুয়ারি) আপিল করেন নির্বাচন কমিশনের কাছে। হিরো আলম বলেন, ইসির কাছে সুবিচার না পেলে আদালতে আগেরবারের মতো উচ্চ আদালতে যাবেন। ২০১৮ সালেও তিনি বগুড়া-৪ আসন থেকে আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছিলেন। যদিও সেই নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পেছনে ভোট সুষ্ঠু না হওয়াকে দায়ী করেন তিনি। সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হলে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক সই জমা দিতে হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে তা যাচাই করেন। হিরো আলমের জমা দেওয়া সমর্থনসূচক সইয়ের মধ্যে দু’জনের বিষয়ে সঠিক তথ্য না পাওয়া যাওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা। হিরো আলম তার হলমনামায় উল্লেখ করেছেন তার একটি প্রাইভেটকার, নয় শতাংশ বসতি জমি, ব্যাংকে জমা ৩০ হাজার টাকা ও ৫০ শতাংশ কৃষি জমি আছে। এছাড়াও স্ত্রীর ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও পারিবারিক সঞ্চয়পত্র আছে ৫৫ লাখ।

বিডি নিউজ২৩: কিভাবে ৪ বছরের কোটিপতি হলেন তার ব্যাখ্যা দিলেন বগুড়া-৬ ও ৪আসনের প্রার্থী হিরো আলম (মো. আশরাফুল হোসেন আলম)।

 

তিনি বলেন, উকিল ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র হলফনামায় ৫৫ লাখ টাকা লেখায় বিষয়টি সামনে এসেছে। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে আপিল আবেদন করতে এসে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি ওই ব্যাখ্যা দেন। ৪ বছরে কোটিপতি হয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, এই প্রসঙ্গে সামনে এলে হিরো আলম সাংবাদিকদের বলেন, কিছু কিছু বিষয় থাকে যে তিলকে তাল বানায়। আমার হয়তো জমা দেওয়ার কথা ২০ লাখ ওরা হয়তো ৫০ লাখ করে দিয়েছে। লিখতে তো আর সমস্যা হয় না, বলতেও সমস্যা হয় না। ঘাইটে দেখতে হবে কোটি কোটি টাকা আছে কিনা। এটা তো আমি চাইলেও লুকায়া রাখবে পাবরো না। আমার যদি কোটি কোটি টাকা ও এত সম্পদ থেকে থাকে দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) অবশ্যই খুঁজে দেখবে আমার এতো কিছু আছে কিনা। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সম্পদের পরিমাণ বলতে আমার কিছু ধানি জমি আছে। নতুন একটা বাসা করতেছি। আর একটা গাড়ি আছে। সম্পদের পরিমাণ কত হবে। গ্রামগঞ্জে জমির দাম আর কত হবে।

 

৫ লাখ টাকা কথা বলেছি উকিলে শূন্য একটা বেশি বসায়ে দিছে। উকিলের ভুলে সম্পদ বেড়ে গেছে। এটা আপনারা নিউজ করেছেন। এখন খুঁজে তো দেখতে হবে আমার এত টাকা আছে কিনা। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে দু’টি আসনেই মনোনয়নপত্র দাখিল করলে ১ শতাংশ ভোটেরর সমর্থন সূচক সইয়ের তথ্যে গড়মিল থাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি মঙ্গলবার ( ১০ জানুয়ারি) আপিল করেন নির্বাচন কমিশনের কাছে। হিরো আলম বলেন, ইসির কাছে সুবিচার না পেলে আদালতে আগেরবারের মতো উচ্চ আদালতে যাবেন। ২০১৮ সালেও তিনি বগুড়া-৪ আসন থেকে আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছিলেন। যদিও সেই নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পেছনে ভোট সুষ্ঠু না হওয়াকে দায়ী করেন তিনি। সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হলে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক সই জমা দিতে হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে তা যাচাই করেন। হিরো আলমের জমা দেওয়া সমর্থনসূচক সইয়ের মধ্যে দু’জনের বিষয়ে সঠিক তথ্য না পাওয়া যাওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা। হিরো আলম তার হলমনামায় উল্লেখ করেছেন তার একটি প্রাইভেটকার, নয় শতাংশ বসতি জমি, ব্যাংকে জমা ৩০ হাজার টাকা ও ৫০ শতাংশ কৃষি জমি আছে। এছাড়াও স্ত্রীর ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও পারিবারিক সঞ্চয়পত্র আছে ৫৫ লাখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

Recent Comments

No comments to show.