রাজশাহীর পুঠিয়ায় জমিজমা নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার এক ব্যক্তি

বিডি নিউজ২৩ পুঠিয়া (রাজশাহী) পুঠিয়ায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে মইদুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তি হামলার শিকার হয়েছে।

 

হামলার শিকার মইদুল ইসলাম উপজেলার জিউপাড়া ইউনিয়নের বিলমাড়িয়া গ্রামের মৃত শাহার আলীর ছেলে। গত বৃস্পতিবার (১৭ নভেম্ব্র) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে বিলমাড়িয়া দিয়ার পাড়া নামক স্থানে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে মইদুল ইসলামের বড় ভাই শামসুল আলম বাদি হয়ে পুঠিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, মইদুল ইসলাম ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরার পথে বিলমাড়িয়া দিয়ার পাড়া একটি চা স্টলে চা পান করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন।

 

এসময় তার প্রতিপক্ষ মানিক, দিলদার, হাবিবসহ বেশ কয়েকজন তাকে ঘেরাও করে এলোপাথারী মারপিট শুরু করে। মইদুল ইসলাম তাদের মারপিটে গুরুতর জখম হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফলে।

 

পরে পাড়া প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় গুরুতর অবস্থায় মইদুলকে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার উন্নত চিকিসার জন্য রামেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমানে সে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

 

ভুক্তভোগী মইদুল ইসলাম বড় ভাই শামসুল আলম জানান, বিলমাড়িয়া মৌজার পৌত্রিক ধানী জমি প্রায় তিন পুরুষ থেকে চাষাবাদ করে আসছেন। সেই জমি গত দেড় মাস পূর্বে আমাদের প্রতিপক্ষ ভাগভাগি মানিক, দিলদার, হাবিব জমির মালিকানা দাবি করে। পরে তারা আমাদের জমি দখলের চেষ্টা চালায়। এসময় আমরা আমাদের জমি দখলে নিয়ে নেই। এরই জের ধরে তারা আমাদেরকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভিতিসহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।

 

গত শুক্রবার আমার ছোট ভাই মইদুল ইসলাকে তার মারপিট করে গুরুতর জখম করে। শামসুল আলমের প্রতিবেশি আতিœয় হাবিবুর রহমান হাবিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মইদুল ইসলামের উপর হামলার বিষয়ে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে বলেন, ঐদিন তারাই আমার ভাইকে মারধোর করে আহত করে। সে বিষয়ে থানায় একটি মামলা রয়েছে। মইদুলের উপর হামলার বিষয়টি নাটক বলে তিনি জানান।

 

এছাড়াও তিনি জমির দখলের বিষয়টি নাকচ করে দিয়ে বলেন, জমির বিষয়ে তারা এর আগে তিনি মামলা দায়ের করেছে। সবকটি মামলার রায় আমাদেও পক্ষে এসেছে। এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সোহরাওয়ার্দী হোসেন বলেন, খোঁজখবর নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *