সরকারি নয়, ডাক্তারদের নিয়মে চলে পুঠিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স! সাংবাদিকের উপর চড়াও

পুঠিয়া হাসপাতালে ডাক্তার একটাও আসবে না, সব ঘরের দরজা বন্ধ করে দাও- ল্যাব টেকনিশিয়ান

 

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি: রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রবেশ নিষেধ বলে সাংবাদিকের উপর উত্তেজিত এবং চাড়াও হয়ে উঠলেন ল্যাব টেকনিশিয়ান আঃ সালাম। বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।

 

পুঠিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জানান, আমি বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্হির বিভাগে গিয়ে দেখি, ডাক্তারদের রুম খোলা আছে ডাক্তার নাই। টিকিট কাউন্টার যথারিথি খোলা রয়েছে। শীতের দিন দুর দুরান্ত থেকে রোগীরা হাসপাতালে এসে টিকিট কেটে সিরিয়াল ধরে বসে এবং দাঁড়িয়ে আছেন।

 

সে সময় ভবনের বাইরে দাঁড়িয়ে আছি, তখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাব টেকনিশিয়ান আঃ সালাম পেছন থেকে এসে বলে এ সব করছেন কেন। এ সব করা যাবেনা। এরপর ছবি তুলতে মেন গেটের ভিতরে প্রবশে করতে ল্যাব টেকনিশিয়ান আঃ সালাম উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিকের উপর চরাও হয়ে উঠে। সে সময়ের ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

 

ধারণকৃত ভিডিওতে উত্তেজিত ভাষায় যা বললেন ল্যাব টেকনিশিয়ান আঃ সালাম- কার পারমিশন নিয়ে ছবি তুলছেন আপনি। আপনি পারমিশন নেন আমার অথারিটির সাথে কথা বলে, ছবি তুলতে আসেন। আপনি এমন কেউ না যে, ছবি তুলতে আসছেন। আপনি পারমিশন নেন আগে তারপর আসেন। আমি বলছি, এখানে ছবি তুলতে পারবেন না। আপনে আমি এখানে আছি, আমরা টিটমেন্ট দিব।

 

ডাক্তার কী আপনার পামিশন নিয়ে আসবে। ডাক্তার একটাও আসবে না। আপনি ছবি তুলার কারণে ডাক্তার একটাও আসবে না। হাসপাতাল সাংবাদিকের আখড়া হয়ে গেছে। সব ঘরের দরজা বন্ধ করে দাও। আপনারা পুঠিয়ার মানুষ এখানে কী পাইছেন। এখানে কী টিটমেন্ট আপনি দেবেন। আপনাকে কে বলেছে ডাক্তার নাই। আপনি টিটমেন্ট দেন।

 

এ ব্যাপারে রাজশাহী সিভিল সার্জন ডাঃ আবু সাইদ মোহাম্মদ ফারুক জানান, সাংবাদিক দের সাথে উত্তেজিত হওয়ার ঘটনা ঠিক করে নি। আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।

 

এ ঘটনার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ল্যাব টেকনিশিয়ানের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী করেছেন পুঠিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্যরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *