রাজশাহীর কাটাখালিতে গোরস্থানের জমি জাল দলিলে বিক্রির অভিযোগ

Prothom alo news

বিডি নিউজ২৩/BD News23: রাজশাহীর পবা উপজেলার কাটাখালী পালপাড়া ঢালান সংলগ্ন জায়গা জাল দলিলের মাধ্যমে গোরস্থানের জমি দখল করে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কাটাখালি পৌরসভা সাবেক কাউন্সিলর আসাদ ও অবসরপ্রাপ্ত ডিজিএফআই এর কর্মকর্তা আসগরের যোগসাজশে এই অপকর্মটি হচ্ছে বলে জানান এলাকাবাসী।

 

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, রাজশাহী পবা উপজেলার কাপাসিয়া মৌজার আর এস দাং নং- ৩০৬ জমির পরিমান- ০.০৯০০ একর গোনস্থানের নামে দান করে যান আঙ্গুরা বিবি নামে একজন নারী। কিন্তু ঐ দানকৃত জমির উপরে নজর পড়ে পার্শ্ববর্তী টাঙ্গন এলাকার অবসরপ্রাপ্ত ডিজিএফআই এর কর্মকর্তা আজগর আলী ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সাবেক পৌর কাউন্সিল আসাদের।

 

এলাকাবাসী ভাষ্যমতে, আজগর আলী ইতিমধ্যেই তার স্ত্রী বিউটি আজগর নামে একটি ভুয়া দলিল তৈরি করে দিয়েছেন। সেইসাথে ঐ জমির শ্রেণি পরিবর্তনের জন্য ২০১৮ সালে একবার গোপনে পবা উপজেলা ভুমি অফিসে আবেদন করেন যা সাংবাদিকের নিকট গচ্ছিত আছে।পরে অবশ্য ভুমি অফিস সরেজমিনে দেখে তা খারিজ করে দেন। এলাকাবাসী আরো জানান প্রায় ৪৮ বছর আগে খতিয়ান নং-১৫২ , দাগ নং-৩০৬ জমির পরিমান- ০৯ শতাংশ গোরস্থানের জমির মালিক আবেদ আলী ও উজির আলি। পরবর্তীতে ওয়ারিশ সূত্রে আরএস খতিয়ান মুলে এই গোরস্থানের মালিকানা পান আঙ্গুরা বিবি।

 

জানা গেছে কাটাখালীর পালপাড়া ঢালান সংলগ্ন এলাকার গোরস্থানের জমি গোপনে দানকৃত জমিকে ভিটা হিসেবে ৯ শতক জমি ৫৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে আসগর। ইতোমধ্যে এই জমির বায়নাস্বরুপ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সাবেক কাটাখালী পৌরসভার ০১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল আসাদের কাছে থেকে বিশ লক্ষ টাকা নিয়েছেন বলে জানান এলাকাবাসী।

 

 

এলাবাসীর একাধিক ব্যাক্তি দাবি করে বলেন কবরস্থানের জায়গাটিতে যেন মসজিদ নির্মাণ করা হয়।

 

এ বিষয়ে একাধিক ব্যক্তি বলেন এটা পূর্ব থেকেই গোরস্থান তাই আমরা কবরের পাশে মসজিদ মসজিদ নির্মাণ করার জন্য জোর আবেদন ও দাবি জানিয়েছেন, সেই সাথে দাবি না মানলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলন হিসেবে মানববন্ধন করতে বাধ্য হবো সকল এলাকাবাসী।

 

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আসগর ও আসাদের নিকট জানতে চাইলে বিক্রয় পক্ষ আসগর আলি বলেন অভিযোগের বিষয় টি মোটেও সত্য না আসাদের নিকট লেনদেনের বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন। কিন্তু ক্রয় পক্ষ আসাদ ২০ লক্ষ টাকা বায়নার বিষয়ে স্বীকার করে বলেন, হ্যাঁ আসগরের সাথে আমার ২০ লক্ষ টাকা বায়নামা চুক্তি হয়েছে। জমি যে অবস্থায় আছে সেই অবস্থাতেই জমি ৫৫ লক্ষ টাকা মূল্যে ক্রয় করেছি এবং ২০ লক্ষ টাকা বায়না স্বরূপ আজগরের নিকট দিয়েছি বলে জানান এই সাবেক কাউন্সিলর আসাদ।

 

এবিষয়ে পবা উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সাথে যোগাযোগ করা হলে তাকে অফিসে পাওয়া যাইনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Related posts

Leave a Comment