• বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রাজশাহীর দুর্গাপুরে ইউপি চেয়ারম্যান পদে বসাতে রেজুলেশন জালিয়াতি! রাজশাহীতে নার্সিং শিক্ষার্থীদের এবার প্রতীকি ক্লাস ও বই পড়া কর্মসূচি আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে তাহেরপুর পৌরসভায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গণপিটুনিতে মৃত্যু রাজশাহীতে অধ্যক্ষের সাথে নারী প্রভাষকের পরকীয়ার সময় ধরে থানায় দিল জনতা দুর্গাপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল প্রতিনিধিদের দৌরাত্বে অতিষ্ঠ রোগী ও স্বজনরা রাজশাহীতে বিএনপির বিরুদ্ধে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক প্রতীকে নিবন্ধন পাওয়ায় মানিকগঞ্জে আনন্দ মিছিল রাজশাহীর দুর্গাপুর প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সমাজের আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাগমারার সাবেক এমপি-মেয়রের বিভিন্ন অপকর্মের বিচার চেয়ে মানববন্ধন

সরকার রোহিঙ্গাদের দেশে থাকতে দেয় আর আমাদের উচ্ছেদ করে

সংবাদদাতা:
সংবাদ প্রকাশ: সোমবার, ২৩ মে, ২০২২
Prothom alo news
সরকার রোহিঙ্গাদের দেশে থাকতে দেয় আর আমাদের উচ্ছেদ করে

বিডি নিউজ২৩: সরকার রোহিঙ্গাদের দেশে থাকতে দেয়, আর আমাদের উচ্ছেদ করে।

 

সারা দিন কাজ করে যা পাই তা দিয়ে বউ-বাচ্চা নিয়ে কোনোভাবে চলে। সরকারি জমিতে ঘর তুলে থাকতাম, আজ সে ঘরটিও কেড়ে নিল। বাসা ভাড়া নিয়ে থাকার সামর্থ্য আমাদের নেই। তাই খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছি।সরকার লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে থাকার জায়গা দিয়েছে, আর আমাদের মতো ছিন্নমূলদের উচ্ছেদ করেছে।’ এভাবেই কাতর স্বরে কথাগুলো বলছিলেন দিনমজুর সুখীরাম।

 

সোমবার (২৩ মে) বরগুনা সদর হাসপাতাল সংলগ্ন পুকুরপাড় এলাকায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের জমিতে অবৈধভাবে বসবাস করা অর্ধশত পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়।

 

জানা গেছে, ৩০ বছর ধরে বরগুনা সদর হাসপাতাল সংলগ্ন পুকুরপাড় এলাকায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের জমিতে বসবাস করে আসছিলেন সুখীরামসহ অর্ধশত পরিবার। তবে হঠাৎ করে আজ সকালে উচ্ছেদ অভিযান চালায় কর্তৃপক্ষ। ফলে এখানে বসবাস করা ৭০-৮০ পরিবারের শতাধিক মানুষ আশ্রয় হারিয়ে পথে বসেছে।

 

রিকশাচালক জামাল হোসেন বলেন, আমি গত ২৫-৩০ বছর ধরে এখানে বসবাস করছি। আমার আরও কোথাও জায়গা-জমি নেই। আমি এখন কোথায় থাকব? রাস্তার পাশে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হবে। সরকার যেন আমাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে সেই দাবি জানাচ্ছি।

 

রোকেয়া বেগম নামে আরেকজন বলেন, ৪০ বছর আগে স্বামী মারা গেছে। ঝাড়ুদারের কাজ করে সন্তানদের বড় করেছি। সম্বল বলতে এই একটা ঘরই ছিল। আজ তাও ভেঙে নিয়ে গেল। এখন কোথায় থাকব?

 

আরেক ভুক্তভোগী খোকন মিয়া বলেন, আমাদের মধ্যে যারা মোটামুটি সচ্ছল তারা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে পারবে। কিন্তু ছিন্নমূলরা কী করবে? অনেকের চুলায় আজ আগুন জ্বলবে না। তাদের না খেয়ে থাকতে হবে।

 

বরগুনার জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন, এখনকার পরিবারগুলো অবৈধভাবে সরকারি জমিতে বরবাস করে আসছিল। তবে এদের মধ্যে যদি প্রকৃত ভূমিহীন-গৃহহীন থেকে থাকে, তাহলে তারা আবেদন করলে তাদের পুনর্বাসন করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

Recent Comments

No comments to show.