সংসদে আবেগে কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বিডি নিউজ২৩|BD News23: সারা বিশ্ব যখন অর্থনৈতিক মন্দা ভাবে কাঁপছে ঠিক সেই মুহুর্তে তার প্রভাবটা বাংলাদেশেও পড়েছে। সংসদে আলোচনা-সমালোচনায় উত্তাপ ছড়ায় দ্রব্যমূল্যের বক্তব্যে।

 

দ্রব্যমূল্য নিয়ে বিরোধী দলের বক্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনি বলেন, সারাবিশ্বে বেড়েছে দ্রব্যমূল্যের দাম তার কিছুটা প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ আর এই সুযোগ টা নিয়ে কিছু মানুষ রাজনীতি করার চেষ্টা করছে।

 

এর আগে সংসদে বিরোধীদলীয় বিএনপি নেতা সাংসদ হারুনুর রশিদ তিনি বলেছিলেন প্যাকেজ ভিত্তিক ভাবে গরিব নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে টিসিবির পণ্য চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে যেখানে খেজুর কেনার সামর্থ্য নেই গরিবদের তারা খেজুর খাবেনা তবুও তাদেরকে খেজুর কিনার জন্য চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।

 

এ ধরনের একটি বক্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, রিকশাওয়ালা গরিব দিনমজুরেরা খেজুর খাবে না কেন তাদেরও খেতে ইচ্ছে করে এছাড়াও ঢাকা শহরে খেজুর রয়েছে টিসিবি সেই প্রশ্ন গুলো বিক্রি করছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপ্ন দেখেছিলেন এদেশে কেউ গৃহহীন বাস্তুচ্যুত গরিব থাকবে না সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি আর এই বাস্তবায়ন করাটাই আমার কাছে একমাত্র লক্ষ্য। সারাদেশে ক্ষমতায় আসার পর থেকে গুচ্ছগ্রাম তৈরি করে ভূমিহীন মানুষদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও তাদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য ঘর দেওয়ার পাশাপাশি অর্থ দেয়া হচ্ছে গরিব মানুষদের।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে অফিসাররা প্রতিনিয়ত দুস্থ গরিব মানুষেরা কেমন আছে সে বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছে সেখান থেকে তুলে আনছেন তাদের সুখ দুঃখের ছবি তারা কেমন আছে সেটা দেখ ভাল করছেন প্রাইম মিনিস্টার অফিস। তাদের সেসব ছবি দেখে আমার চোখে জল এসে যায় দুস্থ মানুষের মাথা গোঁজার থাকবে তাদের চোখে আজ আনন্দের অশ্রু। একটা মানুষকে সুখ দিতে পারে আনন্দ দিতে পেরে মাথাগোঁজার ঠাঁই দিতে পেরে, তারা কবে আসবে তেলিভিশন দেখতে ছোট বাচ্চাদের স্কুলে যাবার সুযোগ করে দিতে পেরেছি এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কি হতে পারে এমনটাই বলছেন আর তার কাঁদছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

(ছবিটি কেবলমাত্র প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে)। বিডি নিউজ২৩

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *