বাগমারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ খালেক

BD NEWS23 বিডি নিউজ২৩ঃ মোস্তাফিজুর রহমান জীবন রাজশাহীঃ বাগমারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না হলেও অগাম প্রচারণায় নেমেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃখালেক।

আঃ খালেক ভবানীগন্জ পৌর সভার সূর্য পাড়া মৃতঃ আলহাজ্ব আব্দুর রহমানের ১ম পুত্র।ভবানীগন্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আব্দুল মালেক মন্ডল এর বড়ভাই। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন তিনি।

যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধা খেতাব দিয়ে সন্মননা করেছেন।নিজের আরো দেশ ও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করা বাগমারা উপজেলা সকল শহীদদের বিভিন্ন অধিকার আদায়ের জন্য আগামী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হয়ে কাজ করতে চান তিনি।

নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই মুক্তিযোদ্ধা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিচ্ছেন বিভিন্ন পদের প্রার্থীরা।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে, যেসব পদে নির্বাচন হবে তা হলো কমান্ডার, ডেপুটি কমান্ডার, সহকারী কমান্ডার (সাংগঠনিক), সহকারী কমান্ডার (পুনর্বাসন, সমাজকল্যাণ, শহীদ ও যুদ্ধাহত, সহকারী কমান্ডার তথ্য ও প্রচার), সহকারী কমান্ডার (অর্থ), সহকারী কমান্ডার (ক্রীড়া ও সংস্কৃতি) সহকারী কমান্ডার (দপ্তর ও পাঠাগার),সহকারী কমান্ডার (ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ), কার্যকরী সদস্য (১) ও কার্যকরী সদস্য (২)।

এদিকে, নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের গণসংযোগ ও প্রচারণা শুরু হয়েছে। আঃ খালেক ভোটারদের কাছে গিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। কমান্ডার পদপ্রার্থী আঃ খালেক বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের দোয়া নিয়ে এ পদে নির্বাচনে অংশগ্রহন করবো। নির্বাচিত হয়ে উপজেলার অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবা করতে চাই। জয়ের ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন,আমি শতভাগ আশাবাদী।দুর্নীতি মুক্ত সুন্দর মুক্তিযোদ্ধা কমিটি বাগমারা ৪ আসনের সংসদ সদস্য ইন্জিঃএনামুল হক কে উপহার দিতে চাই।

বাগমারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধারা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত।তাঁরা নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত। নির্বাচিত হলে তাঁদের জন্য কাজ করবো। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন সমস্যা-সমাধানের চেষ্টা করেছি।
তাই মুক্তিযোদ্ধারা আমাকে নির্বাচিত করবে বলে মনে করি।

মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার পদপ্রার্থী আঃ খালেক আরো বলেন, এক সময়ের রক্তাক্ত বাগমারা নামে পরিচিত সবসময় খুন যখম লেগে থাকতো, সকালে ঘুম থেকে উঠেই শোনা যেতো কোন এক মায়ের বুক খালি হয়েছে। সেই রক্তাক্ত বাগমারায় ২০০৮ সালে নৌকা প্রতীক নিয়ে আসেন বাগমারা নানা মুখী উন্নয়নের রুপকার প্রকৌশলী এনামুল হক।২০০৮ সালেই মানুষের মন জয় করে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন তিনি।নির্বাচিত হবার পর থেকে বাগমারা কে শান্তির বাগমারা উপহার দিয়েছেন। সেজন্য তিনি পর পর তিন বার সংসদ সদস্য  নির্বাচিত হন।বাগমারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার কাছে জোর দাবি বাগমারা আসনের সাংসদ ইন্জিঃএনামুল হক কে মন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাই।

সেই সাথে তিনি আরো বলেন, আগামীতে আমি বাগমারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নির্বাচিত হলে বাগমারা আসনের সংসদ সদস্য ইন্জিঃএনামুল হক এর পাশে থেকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন, বাগমারা কে সোনার বাগমারা হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে উপহার দিতে চাই।এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলামের নানা অনিয়ম,মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ হতে টাকা হাতিয়ে নেওয়া, বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর এর অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।

বিডি নিউজ২৩ এর পক্ষ থেকে করোনা সাবধানতাঃ এই ভাইরাস থেকে একটু রক্ষা পেতে চাইলে অবশ্যই জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে। মুখে মাস্ক ভালোভাবে ব্যবহার করার কোনো বিকল্প পথ নেই। নিজে সতর্ক থাকতে হবে অন্যকেও সতর্ক ভাবে রাখতে হবে। যতোটুকু সম্ভব হয় বাহিরে যাওয়া একদম কমিয়ে দিতে হবে। বাহিরে না গেলেই সবচেয়ে ভালো। পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব করোনা ভাইরাসের টিকা গ্রহণ করুন। BD NEWS23 বিডি নিউজ২৩.

বাগমারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ খালেক
বাগমারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ খালেক
শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *