স্কুল-কলেজ বন্ধ অনলাইন গেমসে ধ্বংসের পথে ছাত্র-ছাত্রীরা

BD NEWS23 বিডি নিউজ২৩ স্কুল-কলেজসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায়, প্রতিদিনই অনলাইন গেম পাবজি ফ্রী ফায়ার এর দিকে ঝুঁকছে কোমলমতি শিশু কিশোররা।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় হাতে অনেক সময় থাকার পরেও ঘুমানো গোসল করা বা খাওয়া দাওয়া করার সময় হচ্ছে না অধিকাংশ ছাত্র ছাত্রীদের। কারণ রাত ফুলের দিন হয়ে যাচ্ছে আবার দিন শেষে রাত হয়ে আসছে তবুও গেম খেলা যেন শেষ হয়না।

বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রাজশাহী এবং কুষ্টিয়ার মধ্যে অনলাইন এই গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছেন বেশি শিশু কিশোররা। এরইমধ্যে গেম খেলতে না দেওয়ায় বা গেম খেলতে না পারায় টাকার অভাবে ইতোমধ্যে অনেক প্রাণ অকালে ঝরে গেছে।

অনলাইন গেম গুলো খেলতে লাগে দামি মোবাইল সাথে টাকা দিয়ে কেনা ডাটা। একটু ভালো উন্নত মানের খেলোয়ার হতে গেলে লাগে ভালো ভালো অনলাইন গেমস টুলস। বড়লোক ঘরের ছেলেমেয়েরা যদিও এগুলোর গেম হরহামেশা তে কোনো বাঁধাবিঘ্ন হীন টাকা-পয়সার সমস্যা না থাকায় খেলতে পারলেও গরিব ঘরের ছেলে মেয়েরা দামি মোবাইল এই গেম খেলা ডাটা কিনে নেওয়ার জন্য ভ্যানচালক বা গরিব বাবা মাকে প্রতিনিয়ত দিচ্ছেন চাপ।

এমন বহু গরিব বাবা-মা তাঁরা বলছেন ছেলেমেয়েদের সাথে প্রতিনিয়ত বাকবিতণ্ডা লেগে থাকছে কারণ কিনে দিতে পারছিনা দামি মোবাইল তারা খেলতে পারছে না গেম অনেক সময় তারা বাহানা দিচ্ছেন অনলাইনে ক্লাস করবেন।

করোনাভাইরাস একটি মহামারী কালীন সময়ে। অর্থনৈতিক ভাবে এমনিতেই প্রতিটে মানুষ  অভাব অনটনে পার করছে জিবন। এরই মধ্যে আবার ছেলেমেয়েকে দামি মোবাইল কিনে দেওয়া আরেকবার চাপের মুখে অভিভাবকরা।

ছাত্র-ছাত্রীরাও বলছেন, স্কুল কলেজ বন্ধ বসে থেকে কী করব বাহিরে গেলেও করোনা ভাইরাস তাই বাসায় থেকে বা এলাকাতেই দলবেঁধে গেমস খেলি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকলে এত সময় পাওয়া যাবে না তাই যতটুকু সময় এখন পার করছি গেম খেলেই অবসর সময় অতিবাহিত করা হচ্ছে এমনটাই বলছিলেন বিভিন্ন জায়গার ছাত্র-ছাত্রীরা।

প্রায় দুই বছরের কাছাকাছি সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে রয়েছে এতে করে ছাত্র-ছাত্রীদের একটা আলাদা চাপ রয়েছে অভিভাবকদের উপর। বিশেষ করে গ্রাম এলাকার অভিভাবকরা এই গেমসগুলো বন্ধ করার পক্ষে প্রায় সবাই মত দিচ্ছেন। করোনাভাইরাস এর মধ্যে বিকল্প কোন পথ বের করে শিশু-কিশোরদের শিক্ষাদান ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার জন্য বলছেন অনেকেই।

আবার কেউ কেউ বলছেন যেসব এলাকায় করোনাভাইরাস তুলনামূলক কম সেসব এলাকায় স্কুল-কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া যেতে পারে। এছাড়াও অভিভাবকদের আরো অনেক বেশি সচেতন থেকে তাদের ছেলেমেয়েদের কে দেখাশোনা করারও পরামর্শ দিচ্ছেন অনেকে।

প্রতিনিয়ত অনলাইন গেমস এর খেলোয়ার বেড়েই চলেছে। যদি সঠিকভাবে দেশের এই বিশাল একটা ছাত্র-ছাত্রীদের অংশ এদেরকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে না পারলে ভবিষ্যতে দেশে ছাত্র-ছাত্রীদের পথ অন্ধকার হয়ে যেতেই পারে এমনটা ভাবা হচ্ছে। তাই বিকল্প পথ খুঁজে বের করে ছাত্রছাত্রীদের সঠিকভাবে শিক্ষার কাজে ব্যবহার করে তাদেরকে শিক্ষা দিতে হবে পাশাপাশি করোনাভাইরাস থেকে যেন মুক্ত থাকা যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

BD NEWS23 বিডি নিউজ২৩
রাজশাহীর প্রায় গ্রামে মোবাইল গেমসে আসক্ত হয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা
শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *