প্রথম আলো

রাজশাহীতে ধর্ষিতাকে আদালতেই ৫০ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে দিলেন এক বিচারক। ২৫ লাখ নগদ, বাকি আরো ২৫ লাখ টাকা…More

 

মোহাম্মদ ইমাম হোসেন, চিফ এডিটরঃ (বিডিনিউজ২৩ঃ) সম্পর্ক শুরু ২০১৯ সালে‌। মেয়ে এবং ছেলে দুজনেই লেখালেখি করতেন সে সুবাদে এটি ছাপাখানায় দুজনের পরিচয়। সেখান থেকে ফোন নাম্বার সংগ্রহ করেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেন রানা। তারপর চলত ফোনে কথা এক পর্যায়ে সম্পর্ক গড়াতে থাকে প্রেম ভালবাসাতে। বিডি নিউজ২৩ঃ

 

গত বুধবার ২০ শে জানুয়ারি, রাজশাহীর আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল (১) এ ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেন রানা ও ভুক্তভোগী মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন করেছেন বিচারক, মোহাম্মদ মনসুর আলম। ভুক্তভোগির নারী ও ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেন রানা এদের দুজনের বিয়েতে কাবিননামা করা হয়েছে ৫০ লাখ টাকা নগদ পরিশোধ করতে হয়েছে ২৫ লাখ বাকি ২৫ লাখ।এটি পিন করতে ক্লিপটি টাচ করে ধরে থাকুন। আনপিন করা ক্লিপ ১ ঘণ্টা পরে মুছে ফেলা হবে। বিডি নিউজ২৩ঃ

 

জানা যায় গত বছরের ২৫ শে জুলাই ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেন রানা গ্রেফতার হন। ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেন জানান গ্রামের বাড়ি নগর পোরশায়। বিডি নিউজ২৩ঃ

 

ভুক্তভোগী ওই মেয়ে এবং ডাক্তার সাখাওয়াত এর মধ্যে যখন সম্পর্ক অনেক গভীরে ঠিক তখন ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেন রানা মেয়েটিকে ফুঁসলিয়ে ভুক্তভোগী ওই মেয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং মোবাইলে তা ভিডিও ধারণ করেন। পরে বিভিন্ন সময়ে ওই ভিডিও বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেয়ার নাম করে ভুক্তভোগী ওই মেয়েটিকে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করেন। বিডি নিউজ২৩ঃ

 

সর্বশেষ যখন ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেন রানা অবিবাহিত ওই ভুক্তভোগী মেয়েকে তার ভাড়া বাড়িতে যে আবারো ভিডিও দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার চেষ্টা করেন ঠিক তখন ভুক্তভোগী মেয়ের বান্ধবী বাইরে থেকে দরজা আটকে দিয়ে পুলিশের কাছে ট্রিপল নাইনে ৯৯৯ এ ফোন করেন। বিডি নিউজ২৩ঃ

 

এরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ দ্রুত এসে ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেন রানা কে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়। যাবত জেল খেটেছেন ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেন। পরবর্তীতে আদালতের কাছে বিয়ে করার শর্তে জামিন আবেদন করলে বিচারক আদালত জামিন মঞ্জুর করেন এবং তাদের দুজনের বিয়ে সম্পন্ন করে ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেন রানা কে ছেড়ে দেয়। বিডি নিউজ২৩ঃ

 

এদিকে ওই মেয়েকে ধর্ষণের ভিডিও ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেন রানার কাছ থেকে পাওয়ার পর পুলিশ তা সিআইডির স্পেশাল টিমের কাছে পাঠায় এবং সিআইডি স্পেশাল টিম তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেন ওই ভিডিওতে ভুক্তভোগী মেয়ে এবং ডাক্তার সাখাওয়াত হোসেন রানা তাদেরই করা। ভিডিওটি সম্পূর্ণ সত্য আর কোনো প্রকার এডিট করা নেই বলে সিআইডির ওই স্পেশাল টিম শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। বিডি নিউজ২৩ঃ

প্রথম আলো
রাজশাহীতে ধর্ষিতাকে আদালতেই বিয়ে দিলেন বিচারক পরে মুক্তি
শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *