November 30, 2020

পুঠিয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধিকাংশ স্টাফ কোয়াটার ফাঁকা

স্টাফ রিপোর্টার, পুঠিয়া (বিডি নিউজ২৩:) পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সের অধিকাংশ স্টাফ কোয়াটার ফাঁকা পড়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে এসব কোয়াটারগুলো পরিত্যক্ত অবস্হায় থাকায় ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। গত দুই যুগের বেশী সময় ধরে এ অবস্হা চলছে। সরজমিনে খোঁজনিয়ে দেখাগেছে, পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সের পিছনে স্টাফদের থাকার সুবিদার্থে সরকার মোট ৬টি কোয়াটার নির্মান করেন।

এর মধ্যে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা ও ডাক্তারদের জন্য স্টাফ কোয়ারটার রয়েছে ২টি, দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মচারীদের জন্য স্টাফ কোয়ারটার ১টি, তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীদের জন্য স্টাফ কোয়ারটার ১টি এবং চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের জন্য স্টাফ কোয়ারটার রয়েছে ২টি।

প্রথম শ্রেণীর কেরায়াটারে ১২ জনের মধ্যে থাকেন ৩জন, দ্বিতীয় শ্রেণীর কোয়াটারে ৬ জনের মধ্যে থাকেন ৩জন, তৃতীয় শ্রেণীর কোয়াটারে ৬ জনের মধ্যে থাকেন ১জন এবং চতুর্থ শ্রেণীর কোয়াটারে একটিতে ৬জনের মধ্যে থাকেন ২জন বাকি একটি কোয়াটার দীর্ঘ দিন থেকে কেউ বসবাস না করায় বসবাসের অযোগ্য হওয়া সংস্কারের জন্য প্রক্রিয়াধিন কয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধিকাংশ স্টাফ স্থানীয় হওয়ার কারণে স্টাফ কোয়াটারগুলো ফাঁকা রয়েছে।

এসব স্টাফরা তাদের বাড়ি থেকে অফিস করেন বা যাদের বাড়ি উপজেলার বাহিরে বা অন্যত্র তাদের বেশির ভাগ বেসরকারী বাড়িতে ভাড়া থাকেন বলে জানাগেছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত অনেকেই জানান, সরকারের সিদ্ধান্ত মতে স্টাফ কোয়াটারের থাকলে তাদের হাউস রেন্টের সবগুলো টাকাই কেটে নেওয়া হয়।

অর্থাৎ ব্যাসিকের ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া হিসেবে দিতে হয়। অথচ উপজেলা সদরের একটি বাড়ি ভাড়া নিতে তাদের কর্তনের অর্ধেক টাকায় পাওয়া যায়। একারণে অনেকেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টাফ কোয়াটারে না থেকে ভাড়া বাসায় থাকেন। এতে প্রতি বছর সরকার ১০ থেকে ১৫  লক্ষ টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাক্তার নাজমা আক্তার জানান, ডাক্তারসহ অধিকাংশ স্টাফ রাজশাহী বা আশে পাশের জেলা শহর থেকে যাতায়াত করেন।

এছাড়াও অনেক স্থানীয় স্টাফ থাকায় তারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টাফ কোয়াটারে থাকেন না। স্টাফ কোয়াটারে থাকার কোন বাধ্যবাধকতা নাই এবং কোয়াটারে থাকলে ব্যাসিকের একটা বড় অংশ হাউজ রেন্ট হিসেবে কেটে নেওয়া হয়। এ কারণে স্টাফ কোয়াটারগু ফাঁকা রয়েছে।………

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *